এবার ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করে ফ্রিতে Ebay থেকে যেকোনো পন্য কিনবেন প্রিয়টিউনস ২০১৮ আর দেরি কেন

0
3

সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি আমার টিউনে। আজকে আমি আপনাদের সাথে কার্ডিং বিষয়ক কিছু নলেজ শেয়ার করবো।

চলুন তাহলে শুরু করা যাক.

(টিউনটি কোনো ভাবেই নৈতিক কোনো কিছু শেখানোর টিউন নয়! শুধুমাত্র শিক্ষনীয় উদ্দ্যেশ্যে শেয়ার করা)

Carding Tutorial By hack School BD

কার্ডিং কি?

কার্ডিং হচ্ছে একধরনের আর্ট (চুরির শিল্প :p) সাধারনত এর মানে হচ্ছে ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন ধরনের আইটেম অর্ডার করা (সেলফোন, ল্যাপটপ, টিভি. ইত্যাদি) কোন প্রকার টাকা পরিশোধ করা ছাড়া, কোনো রকম টাকা পরিশোধ করা ছাড়া মানে হচ্ছে নিজের পকেট থেকে কোনো রকম টাকা পরিশোধ করা ছাড়া ?
আপনি  হয়তো চিন্তা করছেন কিভাবে নিজের পকেট থেকে টাকা গচ্ছা দেওয়া ছাড়া এসব জিনিস আমরা অর্ডার করবো! আপনার প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে বেশিরভাগ অনলাইন শপিং সাইটেই ক্রেডিট কার্ড একসেপ্ট করে থাকে পেমেন্ট গ্রহনের জন্যে। এখন কথা হচ্ছে আপনি কার্ড পাবেন কোথা থেকে? এর জন্যে আপনি বিভিন্ন ভেরিফাইড সিসি শপ থেকে কার্ড কিনতে পারেন অন্যথায় নিজেও হ্যাক করতে পারেন ক্রেডিট কার্ড এই বিষয়ে পরে টিউন লেখার আশা আছে যদি এই টিউন থেকে মোটামোটি সাড়া পাওয়া যায়।

বিভিন্ন ধরনের ক্রেডিট কার্ড রয়েছেঃ

Visa
Mastercard
American Express (AmEX)
Discover
Laser
JCB
উপরে যে সকল ক্রেডিট কার্ডের নাম মেনশন করা হয়েছে তার মধ্যে সকল কার্ডেরই সিকিউরিটি নাম্বার হচ্ছে ৩ ডিজিটের একটি কোড, কিন্তু Amex (American express Card) এর সিকিউরিটি কোড হচ্ছে ৪ ডিজিটের।

এখন এখানে কিছু টেকনিক আছে কার্ডিং করার জন্যে যা আপনারা এখন যেনে রাখতে পারে পরবর্তিতে হয়তো কাজে লাগবে কাজে না লাগলেও নতুন কিছু শিখতে পারেন, শেখার কোনো শেষ নাই এবং যত শেখা যায় ততোই ভালো।

কার্ডিং করার জন্যে এমন সব শপিং সাইট খুজবেন যার ডিজাইন তেমন ভালো না, দেখতে তেমন সুবিধার না, সাইটটি ভালোভাবে অবসার্ভ করে দেখতে হবে আপনার যে সাইটটির সিকিউরিটি কেমন যা আপনি হালকা পাতলা ঘাটাঘাটি করলেই হয়তো বুঝতে পারবেন। (এমন কোনো সাইট যদি আপনি পেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ভাগ্য সুপ্রসন্ন আপনি হয়তো সহজেই এসব সাইট থেকে প্রোডাক্ট কার্ড করতে পারবেন। থামেন! (এত সহজ না কিন্তু :P)

অর্ডার করার সময় শপিং ওয়েবসাইট আপনার কাছে দুই ধরনের এড্রেস চাইবে যার একটি হচ্ছে বিলিং এড্রেস এবং অন্যটি হচ্ছে শিপিং এড্রেস, বিলিং এড্রেস হচ্ছে সে এড্রেসটি যেটা আপনি যার কার্ড ব্যবহার করছেন তার এড্রেস এবং শপিং এড্রেস হচ্ছে আপনার এড্রেস অথবা আপনার ড্রপের এড্রেস যে আপনার হয়ে প্রোডাক্টটি রিসিভ করবে। (আমি শুধুমাত্র বেসিক ধারনাটাই দিচ্ছি ড্রপ সম্পর্কে, এই সম্পর্কে সামনের টিউনগুলোতে আরো বিস্তারিত লেখার আশা রাখি)

Ebay: আপনার অনেকেই হয়তো নাম শুনে থাকবেন, ই-বে হচ্ছে ফেমাস শপিং সাইট যেখান থেকে আপনি বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট অনলাইন থেকে কিনতে পারবেন এবং অনলাইন পেমেন্ট দিতে পারবেন। তবে ই-বে কোনো ইন্সটান্ট পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে না তবে তারা paypal, autionpayments এ ধরনের অনলাইন টাকা লেনদেনের সাইট গুলো ব্যবহার করে থাকে, এবং এসব সাইট আপনি সহজেই যেকোনো ধরনের ক্রেডিট কার্ড ইউজ করতে পারবেন, পৃথিবীর যেকোনো জায়গা থেকে। যেমন ধরুন বাংলাদেশ থেকে, আমাদের দেশে পেপাল সার্ভিস নেয় কিন্তু অনেকেই নানা ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে পেপালে একাউন্ট খোলে থাকেন)

২য় অধ্যায়ঃ ebay.com, Paypal

Ebay

আপনি হয়তো যেনে থাকবেন যে ebay.com হচ্ছে একটি অনলাইন অকশন সোজা বাংলায় বলতে গেলে নিলামের সাইট যেখানে আপনি অনলাইনের মাধ্যমেই বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট কিনতে এবং বিক্রি করতে পারবেন,

এই সাইটটি হচ্ছে বর্তমানের সময় সর্বাধিক ভিজিটর প্রাপ্ত সাইটগুলোর মধ্যে একটু। কারণ এই সাইটে আপনি বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট পাবেন বিভিন্ন ধরনের. এবং এই সাইটে অনেক কম দামী প্রোডাক্টও পাওয়া যায় যা হয়তো আপনি আপনি দোকানের দাম থেকে অনেক কম দামে পাবেন।

(আবারো বলছি!টিউনটি কোনো ভাবেই নৈতিক কোনো কিছু শেখানোর টিউন নয়! শুধুমাত্র শিক্ষনীয় উদ্দ্যেশ্যে শেয়ার করা)

এখন প্রশ্ন হচ্ছেঃ কিভাবে আপনি বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করবেন এবং একটি ভুয়া বেচাকেনার ব্যাবস্থা করবেন, ভুয়া বলতে নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ না করে কিভাবে প্রোডাক্ট কিনবেন, আগের লেখাতে আমি বলেছি ই-বে এমন একটি সাইট যেখান থেকে আপনি কেনা বেচা দুটোই অনলাইনে করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনি যে জিনিসটি কিনতে চান সে জিনিসের বিক্রেতার সাথে আপনার যোগাযোগ করতে হবে এবং এই যোগাযোগের মাধ্যমটিই হচ্ছে ই-বে। এখন আপনার যা করতে হবে তা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ইলেক্ট্রনিক্স সাইট, কার বেচা কেনার সাইট, ফ্যাশনের সামগ্রী বেচা কেনা করে এমন সব সাইট, কুপন কেনা যায়, বা ফ্রিতে পাওয়া যায় এমন সব সাইটে রেজিস্ট্রার করতে হবে। ভুলেও নিজের ইনফো ব্যবহার করবেন না। এমন ইনফো ব্যবহার করবেন যেটা আপনি যার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন তার ইনফোর সাথে যেনো বরাবর মিলে যায়। তার সাথে সাথে যার ক্রেডিট কার্ড আপনি ব্যবহার করছেন তার নাম দিয়ে Yahoo!, হটমেইলে একাউন্ট খুলে সে মেইলটিই ebay এবং অন্যান্য সাইটগুলোতে রেজিস্ট্রার করতে ব্যবহার করুন। মেইলের মাধ্যমে আপনার রেজিস্ট্রার কনফার্ম করুন এখন আপনি যদি কোনো সেলার সাথে কনটাক্ট করেন তার কাছে থেকে কোনো কিছু কেনার জন্যে এবং সে যদি আপনাকে রিপ্লাই দেয় সেটা আপনার এই মেইলেই আসবে।

কি ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে করা যায় তার উদাহারণ স্বরূপ আমি একটি মেসেজ তুলে ধরছি আপনাদের সামনে আপনারা সেটা
অনুসরন করে তাকে মেসেজ করতে পারেনঃ-

Hi there,
i am from USA and i am interested in purchasing this item from you.
i would like to pay this item with my Paypal
But the item is a gift for my cousin in Bangladesh
can you gift wrap the package and calculate shipping costs for 2-3 days delivery?
please reply me with a total price and your Paypal address.

আপনি যে কার্ডটি ব্যবহার করবেন পেপালের সাথে এড করে সেটা যদি আমেরিকার হয় তাহলে মেসেজে বলবেন আই এম ফ্রম ইউ এস এ, আর যদি অন্য কোনো দেশের হয় তাহলে সে দেশের নাম লিখতে হবে। আর আপনি যেহুতু বাংলাদেশে থাকেন তাই প্রোডাক্টটি বাংলাদেশে পাঠানো যাবে নাকি সেটা জিজ্ঞাসা করতে হবে। আশা করি আপনার বুঝতে পেরেছেন। এখন আমি চলে যাবো পেপাল অংশে আমি আলোচনা করবে কিভাবে পেপালে ক্রেডিট কার্ড এড করতে হয়।

Paypal

পেপাল সম্পর্কে যারা জানেন ভালো যারা জানেন না তাদের বলিঃ পেপাল হচ্ছে একটি অনলাইন পেমেন্ট মেথড, যেটা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বেশী ফেমাস অনলাইন পেমেন্ট মেথড এবং বেশীর
ইবে’র বিক্রেতারা এর মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহন করে থাকে, এবং আপনি পেপালের মাধ্যমে অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড এবং ব্যাংক ট্র্যান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। এখন আপনার যা দরকার হবে তা হচ্ছে USA cvv2 (ক্রেডিট কার্ড) এবং একটি ভ্যালিড ই-মেইল এড্রেস (আউটলুক, জি-মেইল হলে ভালো)
এখন আপনাদের যা দরকার তা হচ্ছে একটি ভালো সক্স আইপি যেটার মাধ্যমে পেপালে ঢুকতে হবে আপনাদের যেমন মনে করুন যার সিসি ব্যবহার করতে চলেছেন সে U.S.A এর Los Angels এর বাসিন্দা তো আপনারো সে জায়গার সক্স আইপি ব্যবহার করতে হবে পেপালে ঢূকার সময়, আসলে ব্যাপারটা হচ্ছে এই ধরনের আপনাকে ঐ মানুষটি হয়ে যেতে হবে যে মানুষটির
ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন আপনি। এবং মেইল এড্রেসটিও সিসি হোল্ডারের নামের সাথে মিল রেখে খুলবেন এরপর http://www.paypal.com এ যান এবং রেজিস্টার এবং সাইন্ম আপ বাটনে ক্লিক
করুন এবং সাধারন নিয়মে আপনার রেজিস্টার সম্পন্ন করুন এরপরে আপনার কাছে ২টি সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর চাইবে আপনার ইচ্ছে মতো ২টি প্রশ্ন সিলেক্ট করে উত্তর দিয়ে দিন। এটা পরবর্তিতে পেপাল একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে রিকভার করতে সাহায্য করবে। সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্পন্ন করার পরে আপনার ইমেইল একাউন্টে পেপাল থেকে ইমেইল যাবে
এবং ইমেইলে একটি লিঙ্ক থাকবে যেটাতে ক্লিক করলে আপনার রেজিস্টার কমপ্লিট হয়ে যাবে। এরপরে একটি পেইজ আসবে যেখানে আপনাকে আপনার পেপাল পাসওয়ার্ডটি কনফার্ম হওয়ার জন্যে
আবার দিতে বলবে আবার পাসওয়ার্ড ফিল পুরন করে কনফার্ম করে নিন পাসওয়ার্ডটি।
এরপরে পেপালে আপনার কাচ্ছে ব্যাঙ্ক একাউন্ট এড করার জন্যে পারমিশন চাইবে এটা আমাদের দরকার নেই সুতারাং স্কিপ করে অন্য পেইজে চলে যান।
আপনি আপনার একাউন্ট ওভারভিউ দেখতে পাবেন। বাম পাশের মেনুতে খেয়াল করলে দেখতে, Add a credit card -সেখানে ক্লিক করুন।
সেখানে ক্লিক করার পরে একটা পেইজ পাবেন যেখানে ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারের নাম, সিসি নাম্বার, ক্রেডিট কার্ড কোন কোম্পানির সেটা (এই সম্পর্কে জানতে প্রথম চ্যাপ্টার দেখুন) ক্রেডিট কার্ডেরএক্সপায়ার্ড ডেট এবং CVV2 নাম্বার (৩ বা ৪ ডিজিটের একটি সিকিউরিটি নাম্বার)
যদি সব ইনফরমেশন ঠিকভাবে দিয়ে থাকেন তাহলে এ ধরনের একটা মেসেজ দেখতে পাবেন (you have succesfully added a creditcard)
আর যদি আপনার ভাগ্য খারাপ হয় :p তাহলে এধরনের এরর দেখতে পাবেনঃ
* This creditcard has already been assigned to another paypal account, please use a different card.(no
explenation needed)
* You have entered an invalid or partial credit card number (cc number is incorrect)
* Your card has been declined because we could not verify the 3-4 digit code on the back of your card. (cvv2 is
invalid)
* This card has been declined by your bank issuer. (card is invalid)

ঠিকভাবে ক্রেডিট কার্ড এড করার পরে আপনি যে বিক্রেতা কে মেইল করেছিলেন মনে আছে? তার রিপ্লাইয়ের জন্যে অপেক্ষা করুন তার রিপ্লাই এলে আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর এবং আপনি যে
প্রোডাক্টটি কিনতে চাচ্ছেন সেটা সে আপনার কাছে পাঠাতে পারবে নাকি না এবং সে প্রোডাক্টির দাম কতো সেটা পাঠাতে কত খরচ হবে সে ব্যাপারে বিস্তারির লিখে আপনাকে সে মেইলের রিপ্লাই দিবে। এরপরে আপনার যা করতে হবে সেটা হচ্ছে পেপাল একাউন্টে যান এবং সেন্ড মানি অপশনে ক্লিক করুন এবং প্রয়োজন মতো তথ্য দিয়ে ফর্মটি ফিলাপ করুন (বিক্রেতার পেপাল ইমেইল আইডিতদিতে হবে) এবং কত টাকা পরিশোধ করতে চান সেটাও লিখে দিতে হবে (আপনি যত টাকা দামের প্রোডাক্ট কিনতে চান ততটুকু দামের প্রোডাক্ট কেনার মতো ব্যালান্স ঐ ক্রেডিট কার্ডে থাকতে হবে সুতারাং কম দামী প্রোডাক্ট অর্ডার করাই ভালো আমার মতে) এবং অপশন থেকে “Auction Goods (non eBay) সিলেক্ট করে নিন। এরপরে পেইজে একটি আইটেম নাম্বার তৈরি করুন (কমপক্ষে ১০ নাম্বারের) এবং বিক্রেতার ইবে আইডি (john81239 উদাহারন স্বরূপ বললাম) এবং Auction Site সিলেট করে দিন, তারপরে Other সিলেক্ট করে কন্টিনিউ তে ক্লিক করুন নতুন একটি পেইজ দেখতে পাবেন সেখানে আপনার যা যা ইনফরমেশন দরকার সেটা পুরন পূরণ করে দিন। এরপরে ফান্ডিং সোর্স হিসেবে
আপনি আপনার দেওয়া ক্রেডিট কার্ডটি অটোম্যাটিকালি সিলেক্ট হয়ে আছে দেখতে পাবেন।
আর উপরে দেখতে পাবেন পেপাল অটোম্যাটিকালি শিপিং এড্রেস হিসেবে ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারের এড্রেসটি সিলেক্ট করে রেখেছে (শিপিং এড্রেস= যেখানে প্রোডাক্টটি সেন্ড হবে)যেভাবে আছে সেভাবেই থাকতে দিন তাহলে এই ট্রান্সিকশনটি যে একটি লেজিট ট্রান্সিকশন যেটা বুঝতে পারবে পেপাল :p
এবার কনফার্মে ক্লিক করুন। যদি আপনার ক্রয় সফলভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে তাহলে আপনি এ ধরনের একটি মেসেজ পাবেন “you’ve sent cash or you paid for an online auction.”এরপরে আপনার পেপাল একাউন্টে ফিরে এসুন এবং লগআউট করে নিন, এবার মেইলের ইনবক্সে কে সেলার কে মেইল করুন যে আপনি তার প্রোডাক্টের জন্যে যে প্রাইস সে আপনাকে জানিয়েছিলো (অন্যান্য খরচ সহ) সেটা আপনি তার পেপালে ট্রান্সফার করে দিয়েছেন।
যদি কাজ ঠিকভাবে হয়ে যায় তাহলে আপনি এক সপ্তাহের মধ্যে আপনার প্যাকেজটি রিসিভ করতে পারবেন (সপ্তাহিক বন্ধ এবং ছুটির দিন সহ)
কিছুদিন পরে হয়তো আপনার সেলারের কাছে থেকে মেইল আসতে পারে যে আপনি তাকে যে পেমেন্টটি করেছিলেন সেটা রিফান্ড হয়ে গেছে এবং সে আপনাকে আবার পেমেন্ট সেন্ড করতে বলবে তখন আর কি করার সিম্পলি ইমেইলটি ইগনোর করে মার্ক এস স্প্যামে ক্লিক করে দিন :p

আজকের টিউনটি এখানেই শেষ করছি, আশা করি আপনারা নতুন কিছু শিখতে পেরেছেন ? যদি শেয়ার করেন টিউনমেন্ট করেন তাহলে আবার নতুন ভাবে টিউন করার উৎসাহ পাবো।
আর যদি কেউ কোনো ভুল দেখে থাকেন তাহলেও টিউনমেন্ট করে যান। সবাইকে ধন্যবাদ।

এই বিষয়ক আরো টিউন পেতে চাইলে অবশ্যই টিউনমেন্টের মাধ্যমে আমাকে জানাবেন, আপনাদের উদ্দেশ্যেই এই টিউনগুলি লেখা আপনাদের সাড়া পাওয়া গেলেই নতুন টিউন লেখার আগ্রহ পাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here