রূপাজীবা দারুন একটা গল্প

0
1

‘চিকেনটা আরেকটু নাও। এই টুকরাটা।’
‘উহু! আর পারা যাবে না। পেট ফুলে ঢোল হয়ে গেছে।’
‘চুপ। দেখি, হা করো। বড় করে। এই তো, হ্যা।’ একটা পুরো
মিটবল কবিরের মুখে ঢুকিয়ে দেয় পারু। ‘ঢোল কেন, পেট
ফেটে গেলেও খেতে হবে।’
মুখভর্তি খাবার নিয়ে কবিরের বিষম খাবার অবস্থা।
কোনমতে বলে, ‘আর পারি না। এবার মাফ কর, পারু।’
‘কোন মাফ করাকরি নেই। সুপটা এখনো শেষ করো নাই।
চিজকেক হবে সবশেষে। এরপর অবশ্য তোমাকে মাফ করার
বিষয়টি চিন্তা করে দেখতে পারি।’
‘তুমি স্বৈরাচারী আচরণ করছ, পারু। শেষটায় বমিটমি করে
সব ভাসিয়ে দিব কিন্তু।’
পারু ছলছল চোখে তাকিয়ে থাকে। ওর এত ভাল লাগছে
কেন? আনন্দে কেঁদে ফেলতে ইচ্ছে করছে। ইশ! এই
সন্ধ্যাটা যদি শেষ না হোত? একটু পরেই চলে যেতে হবে
ভেবে মনটা হু হু করে কেঁদে উঠে। জীবন এমন কেন? এত
নিষ্ঠুর কেন?
পারুর আজ জন্মদিন। কয়েকমাস ধরেই ওরা প্লান করেছে
আজকে কী করবে? কবির স্বচ্ছল না। একটা প্রতিষ্ঠানে
খুবই ছোট চাকরি করে। চাকরিতে যে উন্নতি হবে তারও
সম্ভাবনা নেই। কারন সে মন দিয়ে কাজ করে না। ওর সব
আগ্রহ কবিতা লেখায়। সে কোন প্রতিষ্ঠিত কবিও না।
দেশের কেউ তার কবিতা পড়ে না। কবির চেষ্টা করেছে
দু’চারটা প্রকাশ করতে। খুব বেশী লাভ হচ্ছে না। তবে
পারু তার একনিষ্ঠ পাঠক। যেকোন কবিতাই সে মন দিয়ে
পড়ে। কবিরকে উৎসাহ দেয়। ‘চালিয়ে যাও। একদিন হবে।’
দারিদ্রের কারণে পারুর জন্মদিনে সে তেমন কিছু ভাবতে
পারে না। শুধু ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে। পারু জানে
কবিরের অনেক দিনের সখটা। মাঝেমধ্যে আক্ষেপ করে
বলে কবির, ‘আহারে! দামী কোন চাইনিজ রেস্টেুরেন্টে
বসে খেতে পারতাম!’
পারু কাজ করে। বিগত কয়েকমাস যাবৎ টাকা জমাচ্ছে
সে। মোটা অংকের টাকা নিয়ে ঢাকার মোটামুটি একটা
অভিজাত রেস্টুরেন্টে এসেছে ওরা। কবিরের পছন্দমত
খাবার নিয়েছে। কোন কৃপনতা দেখাবে না আজ।
ঠিক দুপুরের পরেই বের হবার কথা ছিল। কবির সেই মতন
পারুর ওখানে গিয়েছে। কিন্তু একটা কাজে আটকা পরে
পারুর দেরী হয়ে গেছে। তাই পরিকল্পিত মুভিটা দেখা
হয়নি। সিএনজি-ট্যাক্সি নেবার টাকা ছিল পারুর সাথে।
কিন্তু বের হয়েই বলেছে, ‘একটা রিক্সা নাও।’
‘এতদূর, রিক্সায় যাবে?’
‘হ্যা, বাতাস খেতে খেতে যাব। তোমার হাত ধরে রাখব।
রিক্সার ঝাঁকিতে দু’জনের ঠোকাঠুকি হবে। আহ!’ পারুর
শরীর শিহরণে কেঁপে কেঁপে যাচ্ছে।
কবির পকেট থেকে একটা ছোট্ট বাক্স বের করে পারুর
হাতে দেয়, ‘হ্যাপি বার্থডে পারু। এই সামান্য উপহার
তোমার জন্য।’
পারু শিশুদের মত উছলে উঠে উচ্ছাসে, ‘উপহার! আমার
জন্য! কী এনেছো?’
‘বাসায় গিয়ে খুলো। এখন থাক।’ কবির লজ্জা পায়।
‘না, এখনই দেখব।’ বাক্স থেকে একটি আংটি বের হয়।
স্বর্ণের তৈরী পাতলা একটা আংটি। ‘তুমি আমার জন্য এত
দাম দিয়ে আংটি কিনেছো কেন?’ পারু সারা শরীর
আনন্দ মাখিয়ে হেসে উঠে। তৎক্ষনাৎ বা হাতের
অনামিকায় ঢুকিয়ে দেয় আংটিটা।
কবির মুগ্ধ হয়ে চেয়ে থাকে। পারুকে কেমন বউ বউ মনে হয়।
আমতা আমতা করে বলে, ‘বেশী দাম না। অল্প সোনা
দিয়ে বানানো। কেমন পাতলা দেখছ না?’
‘তা হোক। তবুওতো সোনা দিয়ে বানানো। ইশ! কতগুলো
কষ্টের টাকা চলে গেল।’
‘এ সামান্য টাকা, পারু। তোমার তূল্য টাকা আমি কোথায়
পাব? সারা দুনিয়ার ধন-দৌলত তোমার পায়ে ফেললেও,
সেতো নস্যি।’
‘চুপ! সাহিত্য ফলানো হচ্ছে। গদ্য বলছ কেন? তুমি কবি,
কবিতা বলবে। আজকে আমার জন্মদিনের জন্য কবিতা
লেখনি?’
‘শুনবে?’
‘কী যে বলনা? আমি তোমাকে যতটুকু ভালবাসি, তোমার
কবিতাও ততটুকু। কিংবা বেশীও হতে পারে।’
‘গত কয়েকদিন ভেবে তোমাকে নিয়ে একটা কবিতা
লিখেছি। আবার আজ তোমার কাজের ওখানে অপেক্ষা
করার মুহুর্তগুলিতে আরেকটা লিখেছি। কিন্তু মনে হচ্ছে,
হঠাৎ করে লেখা সেটাই বেশী ভাল হয়েছে।’
‘দু’টোই শুনব। তবে ভালটা আগে বল।’
কবীর সুদূরপানে চেয়ে বলে,
‘বসে আছি-
হিমালয়সম ধৈর্য নিয়ে বসে আছি
প্যাসিফিকের অসীম মৌনতা নিয়ে বসে আছি।
অধীর প্রতীক্ষা-
কখন হবে দেখা
শেষ হবে এই কবিতা লেখা।
পাঁজরে আঘাত করে কিছু শব্দ
কান ফেটে যায় গোঙানীতে
রক্ত টগবগ করে উন্মত্ততা শুনে।
সীমাহীন অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়
সে আসে ধীরে
অথচ ত্রস্ত পদক্ষেপে
যেতে হবে, যেতে হবে আলোর পানে।’
টপ টপ করে জল গড়াতে থাকে পারুর গাল বেয়ে। নিথর
হয়ে আছে রিক্সায়। কোন শব্দ নেই। ‘পারু, তুমি কাঁদছ?’
সাজ্জাদ আবেগে বলে।
‘হ্যা, কাঁদছি। আনন্দে কাঁদছি। দেখ না, তোমার
আংটিতে আমায় কেমন বউ বউ লাগছে।’ পারু চোখ মুছে
হাসতে চেষ্টা করে।
কবির তৎক্ষণাৎ পুরুষ হয়ে যায়। ভুলে যায় তার দারিদ্রতা,
সীমাহীন দূর্বলতা। পারুর কাঁধে হাত রাখে সে। গাল
ছোঁয়ার জন্যও হাত বাড়ায়। বোধ হয়, কম্পমান অধরে-
ওষ্ঠে মিলন-বাসনা। পারু থমকে উঠে, ‘কী করছ?’
‘তোমাকে আদর করতে চাই।’
‘এসব বিয়ের পরে হবে। তার আগে এই ছোঁয়াটুকুই শেষ।
ধর্মের কথা মনে আছে?’
কবির থেমে যায়। আক্ষেপে বলে, ‘কবে যে হবে?’
‘সেটাও তো কথা। তবে হবে একদিন। তোমার ছোট
ভাইটার পড়া শেষ হয়ে যাচ্ছে। বোনটার বিয়ে দিয়ে
দিবে। এরপর বাবা-মাকে ঢাকা নিয়ে আসবে। তোমার
অল্প আয়েও চলে যাবে দিন। ধর, বছর দুই লাগবে।
আমারতো আরও অনিশ্চয়তা!’ পারু হতাশায় বলে।
‘তোমার অসহায়ত্বের কথা মনে হলেই কান্না আসে।’
পারু লেখাপড়ায় ভাল। দেখতে শুনতে বেশ। গ্রামের
মেয়ে হয়েও অনেক চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে কেমন করে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে গেছে। বাবা-মা গরীব,
পড়ার টাকা পাঠাতে পারে না। টিউশানি করে, হলের
বন্ধুদের বদৌলতে কোনমতে বছর দুই পার করেছে এরিমধ্যে
সে। পরিবারে সবার বড় ও। ছোট দুই ভাই, দুই বোন। বাবা
মজুরী খাটে অন্যের জমিতে। অন্য ভাইবোনেরা এখনো
গ্রামেই আছে, ওখানেই পড়ছে। অথচ পারু এত অভাবের
মধ্যে থেকেও কীভাবে এতদূর এসে পড়েছে, ব্যাপারটা
বিস্ময়ের!
কবিরের সাতে অকস্মাৎ দেখা ভর্তির পরের বছর। একুশের
প্রভাত ফেরী চলছে। পারু ফুল হাতে হাঁটছে। পাশে একটি
ছেলে চোখ মুছতে মুছতে এগোচ্ছে। আর চেচিয়ে অজানা
কবিতা পড়ছে। পারু কৌতূহলী হয়। আর এই আগ্রহই কাল
হয়ে দাঁড়ায়। এক সময় জড়িয়ে যায় দু’জনে। মুক্তবিহঙ্গের
মত ঘুড়ে বেড়ায় ওরা। এরমধ্যে অকস্মাৎ পারুর বাবা মারা
যায়। গরীব মানুষ, সামান্য অসুখের ঝাপটাও সহ্য করতে
পারেনি। প্রথম ধাক্কায় একেবারে শেষ।
ঊাবার দাফন শেষ করে ঢাকা ফিরে পারু বিহ্বল হয়ে
যায়। গ্রামে পরিবারকে বাঁচাতে হবে। এতগুলো মুখ তাঁর
দিকে চেয়ে আছে। অনেক চেষ্টা করে পারু। সকলের
অজান্তে ঢাকা শহর চষে ফেলে সে। পড়ার পাশাপাশি
কিছু একটা করতে চায় সে। শুধু টিউশানির টাকায় নিজে
এবং দেশের পরিবার বাঁচানো যাবে না। অনেক
খোঁজাখুঁজি করে শেষে একটা আলোর রেখা দেখে সে।
মুষ্ঠি দৃঢ় করে সে – যা হবার হবে।
‘একটা চাকরির সন্ধান পেয়েছি।’ কবিরকে বলে।
‘তুমি চাকরি করবে? পড়াশুনা কীভাবে হবে?’
‘চাকরিটা আবাসিক। গুলশান বনানীর কোন একটা বাসায়
হবে। ওখান থেকে সময়মত এসে ক্লাস করা যাবে।’
‘বাহ! তাহলেতো ভালই।’
‘বেতন বেশ ভাল। আমাদের সকলের স্বচ্ছন্দে হয়ে যাবে।
তবে কষ্টটা হবে অন্যখানে। তোমার সাথে দেখা-
সাক্ষাৎ কম হবে।’
‘তা হোক, বেঁচে থাকাই যেখানে সংগ্রাম সেখানে
নান্দনিকতা অপাংক্তেয়। তুমি এসব নিয়ে চিন্তা কোর
না।’
‘কী যে বল না। তুমি আমার বেঁচে থাকার প্রেরণা।
তোমাকে ঘিরেই আমার সব। সকলকে একটু মাথা গোজার
ঠাই করে দিয়েই তোমার কাধে ঝুলে পড়ব। হা হা হা।’
হাসতে হাসতে চোখে পানি এসে যায় পারুর।
‘কিন্তু তোমার চাকরিটা কি সেটা বুঝতে পারছি না?’
‘আমিও বুঝতে পারছি না এখনো। দেখি কী কাজ। তবে
অতদিন যদি অপেক্ষা করতে না পার তবে অন্য কাউকে
নিয়ে..’
পারুর কথা মুখেই আটকে যায়। কবির সজোরে মুখ চেপে
ধরে, ‘ও কথা বলতে নেই।’
বছর দেড়েক পার হয়ে গেছে এরপর। পারুর দেশের বাড়িতে
স্বচ্ছলতা এসেছে। ওদের মুখের হাসি দেখে পারুর মন ভরে
উঠে। আজ জন্মদিনে অনেকটা সময় কাটানোর ইচ্ছা ছিল
ওদের। তাই দুপুর দু’টায় কবিরকে আসতে বলেছিল সে।
বলেছিল, ‘দু’টোর সময় আসবে। দেখবে আমি বাসার
সামনে দাঁড়িয়ে আছি।’
কবির কাঁটায় কাঁটায় দু’টোর সময় এসেছে। দেখে, কেউ
অপেক্ষায় নেই। পনের মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে কবির।
পারুর ছায়াও দেখা যাচ্ছে না। অগত্যা ভিতরে যাবার
সিদ্ধান্ত নেয় সে। এ বাসায় ঢুকতে ওর ভাল লাগে না।
আগে কয়েকবার এসেছে। প্রতিবারই কষ্ট বুকে বের হতে
হয়। প্রচন্ড অনিচ্ছায় ভারী পা দু’টোকে টেনে টেনে
ভবনে ঢুকে সে। আলো ঝলমলে সুদৃশ্য লাউঞ্জ। কয়েকটা
সোফা বিছানো। তাতে স্যুটেড বুটেড হয়ে কয়েকজন বসে
আছেন। কবির যথেষ্ট ভদ্র হয়ে এসেছে আজকে। তারপরও
ওকে ফুলবাগানে হঠাৎ ঢুকে পড়া কুৎসিত গাধাটার মতই
লাগছে। হালকা মিউজিক বাঁজছে কোথাও যেন।
রিসেপশনিস্ট মেয়েটি ওকে চিনে। কবির বলে, ‘আমি
পারুর কাছে এসেছি।’
মেয়েটি প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে তাকায়। তারপরও মুখে
প্রফেশনাল হাসিটা দিয়ে বলে, ‘আপনি বসুন। মিস পারু
আসবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই।’
‘দু’টোয় আসার কথা ছিল?’ কবির ভয়ে ভয়ে বলে।
‘আমি জানি। কিন্তু হঠাৎ করে একজন হাই প্রোফাইল
কাস্টমার এসে গেল। তাকে এন্টারটেইন করতে মিস পারুর
দেরী হয়ে যাচ্ছে। আপনি বসুন, চা খান। উনি চলে
আসবেন।’
সাজ্জাদ দামী সোফায় জড়সড় হয়ে বসে আছে। পারুর
কাস্টমারগুলো সমাজের সব উঁচু তলার। নামী পত্রিকায়
তাদের চেহারা দেখা যায় প্রতিনিয়ত। রাজনীতিবিদ
আছেন, সরকারি কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, নামকরা
কবি-সাহিত্যিকও কিছু আছেন। একেকজনের আবার
একেক রকম স্বভাব। যেমন; কেউ মদ খায়, আবার কেউ খায়
না। কারো ঠোঁটে সিগারেট মাস্টা। আবার কেউ কেউ
নন-স্মোকার। তবে এক জায়গায় সকলের দারুণ মিল। প্রচন্ড
উন্মত্ত তারা। বুনো উল্লাসে পাগলপাড়া তারা। বিকৃতি
ছাড়া কোন কিছু করতে পারে না।
রুমটা বোধ হয় কাছেই হবে। আওয়াজ শুনতে পাচ্ছে সে।
পারুর গলা শুনতে পাচ্ছে, ‘আস্তে স্যার। ব্যথা লাগছে।’
‘শাট আপ, ইউ ব্লাডি সোয়াইন। পয়সা দিয়ে তোর সময়
কিনেছি। চুপ!’
ফুলস্পীডে এসি ছাড়া আছে। এরপরও কবির ঘামছে দরদর
করে। সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়ায় সে। রিসেপশনিস্টকে
বলে ‘পারুকে বলবেন, আমি বাইরে অপেক্ষা করছি।’
ঘন্টাখানেক পর পারু ক্লান্ত পদক্ষেপে ওর সামনে আসে।
‘স্যরি কবির, দেরি হয়ে গেল।’
‘না, ঠিক আছে। চলো, মুভি বোধ হয় অর্ধেক হয়ে গেছে।’
কবির তাড়া দেয়।
‘মুভি দেখা আর হবে না আজকে। তার চেয়ে চলো রিক্সা
নিয়ে ঘুরি। কয়েকঘন্টা দু’জনে রিকশায় ঘুরব। কথা বলব
উচ্চস্বরে। এরপর শেরাটন হোটেলের পুলসাইড
রেস্টুরেন্টে খাব আমরা। আসলে তুমি খাবে, আমি চেয়ে
চেয়ে দেখব। আমার ধারনা, ধরনীতে এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য
আমার কাছে আর কিছু হতে পারে না।’ পারুর চোখ চকচক
করছে।
কবির আনন্দে লাফিয়ে উঠে, ‘এই রিক্সা থাম।’
রি´ায় উঠেছে দু’জনে। জানে দু’জনের সব কথা। কোন
কিছুই গোপন নেই। কিন্তু কেউ কিছু বলে না। কবির এসব
ভাবনা অনেক আগেই শেষ করে দিয়েছে। শুরুর দিকে
প্রচন্ড অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। এখন ও কী করবে? একজন
রূপাজীবার সাথে ওর জীবন হবে? গভীর ভালবাসা আর
নিষ্ঠুর পরিস্থিতি সব সইয়ে নিয়েছে। ওদের আশা, এইতো
আর কিছুদিন। এরপর সব শেষ হবে। সব পাখি ঘরে ফিরবে।
একজন রূপাজীবা জগতের সব পঙ্কিলতা সাঙ্গ করে
ফিরবে, আপন ঠিকানায়। তখন শুধুই মুখোমুখি বসবার সময়।
একান্তই দু’জনের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here